ছবি : সুদীপ চন্দ

সুদীপ চন্দ ও রানা চক্রবর্তীকলকাতা : গত ক’বছর ইস্টবেঙ্গল এর আইএসএল খেলা মানেই ড্র বা হার দিয়ে শুরু। এই বছর অংকটা একটু বদলালো। কমপক্ষে দু’গোলে জেতা ম্যাচে দু’পয়েন্ট ফেলে এল ইস্টবেঙ্গল। আর সেটার জন্য জামশেদপুর এফসির গোলকিপার টিপি রেহনেশের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রশংসা প্রাপ্য, তেমনই জেভিয়ার সিভেরিওকে যদি তুমুল ‘কথা’ শোনান কার্লেস কুয়াদ্রাত। কারণ পুরো ডোবালেন তিনি। পরপর সুযোগ নষ্ট করেন।

ছবি : রানা চক্রবর্তী

অন্যদিকে, জামশেদপুরও সুযোগ পেয়েছিল। খেলা ভাঙার আগে ইনজুরি টাইমে জামশেদপুরের একটি আক্রমণ খাবরা প্রতিহত করলে জামশেদপুর খেলোয়াড়েরা পেনাল্টির দাবিতে সোচ্চার হন যদিও রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। এর আগে ইস্টবেঙ্গলেরও একটি আক্রমণ সামলাতে গিয়ে জামশেদপুরের এক ডিফেন্ডার বল হাতে লাগায় কিন্তু রেফারি পেনাল্টি দেননি। একদম শেষ মুহূর্তে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে রেফারি জামশেদপুরের বেনীকে ভুল করে লাল কার্ড দেখান। এর পরেই নিজের ভুল বুঝতে পেরে উনি বেণীকে মাঠে ফেরত নিয়ে আসেন এবং শুধু হলুদ কার্ড দেখিয়ে ছেড়ে দেন।

ছবি : সুদীপ চন্দ

গোলশূন্য ড্র হল ইস্টবেঙ্গল বনাম জামশেদপুর এফসি। তবে ইস্টবেঙ্গল হতাশ হবে। কার্লেস কুয়াদ্রাতদের নিশ্চিতভাবে মনে হবে যে দু’পয়েন্ট মাঠে ফেলে এলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nine − four =